বিশেষ প্রতিনিধি – মঙ্গলবার রাত থেকে নতুন করে উত্তেজনা শুরু হয়েছে পশ্চিম এশিয়ায়। ইজ়রায়েলে আছড়ে পড়েছে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র। প্রায় ২০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে ইজ়রায়েলের দিকে। যদিও ইজরায়েল সেনা এই হামলা প্রতিরোধ করায় বড় রকম ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। দুর্ঘটনার পরেই ইরানকে হুঁশিয়ারি দেন ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। স্পষ্টত জানিয়েছেন, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফল ভুগতে হবে ইরানকে। একইভাবে ইরানকে সতর্ক করেছে আমেরিকাও। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সেনা সাহায্য করে ইজ়রায়েলের পাশে থাকার কথা জানিয়েছেন।

বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর হুঁশিয়ারির পরই নিজেদের আকাশপথ বন্ধ করে দেয় ইরান। সামরিক, বেসরকারি কোনও বিমানই ঢুকতে পারবে না ইরানের আকাশসীমায়।বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।
এদিকে অগ্নিগর্ভ অবস্থায় ইজ়রায়েলে অবস্থিত ভারতীয় নাগরিকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে ভারতীয় দূতাবাস। অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ভারতীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইজ়রায়েলি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।

এদিকে বুধবার ট্র্যাক্টর এসসি-র বিরুদ্ধে ম্যাচ ছিল সবুজ-মেরুনদের। ইরানের অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে শনিবার ৩৫ জন ফুটবলার তাঁদের স্বাক্ষর করা চিঠিতে ক্লাবকে না জানিয়ে দেয়। মোহনবাগানের তরফে সেই চিঠি পাঠিয়ে দেওয়া হয় এএফসি-সহ বিদেশ মন্ত্রক ও সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনকে। সেই সঙ্গে আবেদন করা হয় ম্যাচের দিন নিরপেক্ষ জায়গায় আয়োজন করার জন্য। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এএফসি-র তরফে বিবৃতিতে জানানো হয়, এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ট্র্যাক্টর এসসি-র বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে ইরানে খেলতে যায়নি মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট।
এই ম্যাচ না খেলার বড় মাশুল গুনতে হবে নৌকো বাহিনীকে। এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-র নিয়ম অনুযায়ী, বিপক্ষ দলকে জয়ী ঘোষণা করা হবে। বিরাট অঙ্কের জরিমানা করা হতে পারে। এমনকি এশিয়া মহাদেশের সব রকম প্রতিযোগিতা থেকেও নির্বাসিত করা হবে মোহনবাগানকে।








