ড্যাডি কে ‘ড্যাড’, মাম্মিকে ‘মম’, ব্রাদারকে ‘ব্রো’ বলার চল সর্বত্র। ঝটপট ইংরেজি বলতে না পারলেও শর্টকার্ট ইংরেজি বলার রোগে আমরা সংক্রমিত। এই সংক্রমণ থেকে রেহাই পেল না সুপ্রিম কোর্টও। কোর্টের এজলাসে দাঁড়িয়ে প্রধান বিচারপতিকে ইয়েসের পরিবর্তে ‘ইয়া ইয়া’ বলায় তিরস্কৃত হলেন এক আইনজীবী।
২০১৮ সালের একটি আবেদনের প্রেক্ষিতে এই মামলার শুনানি চলছিল সুপ্রিম কোর্টে। ওই আইনজীবী দাবি জানান, ছ বছর আগের একটি মামলায় তিনি সুপ্রিম কোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈকে বিবাদী পক্ষ হিসাবে যুক্ত করতে। বর্তমান বিচারপতি চন্দ্রচূড় প্রশ্ন করেন, কোনও জনস্বার্থ মামলায় বিচারপতিকে কী ভাবে যুক্ত করা যেতে পারে? সংবিধানের ৩২ নম্বর ধারায় ওই ধরনের মামলা করা যায় বলে প্রত্যুত্তরে আইনজীবী জানান। প্রধান বিচারপতি বলেন, “বিচারপতি গগৈ এই আদালতের প্রাক্তন বিচারপতি। তাঁর বেঞ্চে আপনি সাফল্য পাননি বলে এখন বিচারপতির বিরুদ্ধে তদন্ত চেয়ে আপনি জনস্বার্থ মামলা করতে পারেন না। তাই এই মামলার ক্ষেত্রে সেই ধারা প্রযুক্ত হচ্ছে না বলে জানিয়ে দেন প্রধান বিচারপতি। তার উত্তরে ওই আইনজীবী দুবার বলে ওঠেন, “ইয়া ইয়া”।
আদালতে শুনানি চলাকালীন বিধিবদ্ধ শব্দ ছাড়া পথচলতি শব্দ ব্যবহার করা যায় না। এজলাসে দাঁড়িয়ে যদি আইনজীবী সেই ভাষা বা শব্দের প্রয়োগ করেন তাহলে সেটা বাতুলতা মনে করা হয়। মামলা চলাকালীন প্রধান বিচারপতি কড়া ভাষায় ভর্ৎসনা করলেন এক আইনজীবীকে। বিরক্ত হয়ে বলেন, “এটা কোর্ট, কোনো ক্যাফে নয়! ইয়া…ইয়া করছেন কেন? ইয়েস বলুন। ইয়া…ইয়া শব্দে আমার অ্যালার্জি আছে। আদালতে এই ধরনের ভাষা আদালতে ব্যবহার করা যায় না”।




